২০৩১ বিশ্বকাপকে লক্ষ্য করে পূর্বাচল স্টেডিয়াম - মাল্টি-স্পোর্টস ভেন্যুতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা

২০৩১ বিশ্বকাপকে লক্ষ্য করে পূর্বাচল স্টেডিয়াম - মাল্টি-স্পোর্টস ভেন্যুতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা

২০৩১ বিশ্বকাপ পূর্বাচল স্টেডিয়ামে হতে পারে ! ঢাকার পূর্বাচল স্টেডিয়ামে এনসিজিতে অন্যান্য খেলার সুযোগ-সুবিধাও নিশ্চিত করতে চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। একই সাথে এই স্টেডিয়ামে ২০৩১ বিশ্বকাপে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বিসিবি ও সরকার।

khelalive update
khelalive update
6 min read

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে যাচ্ছে ঢাকার পূর্বাচল। প্রস্তাবিত পূর্বাচল স্টেডিয়াম-কে ঘিরে বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও সরকার। লক্ষ্য-ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০৩১-এর একটি ভেন্যু হিসেবে স্টেডিয়ামটিকে প্রস্তুত করা।

শুরুতে এটি শুধুই একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম হিসেবে পরিকল্পনা করা হলেও, এখন সেই ভাবনায় বড় পরিবর্তন আসছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, এটি শুধু ক্রিকেটেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং অন্যান্য খেলাধুলার জন্যও সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে। অর্থাৎ, পূর্বাচল স্টেডিয়ামকে একটি পূর্ণাঙ্গ মাল্টি-স্পোর্টস কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সম্প্রতি স্টেডিয়াম এলাকা পরিদর্শনে যান তামিম ইকবাল, যিনি বর্তমানে বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন, এবং আমিনুল হক, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তাদের সঙ্গে ছিলেন বোর্ড ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।

পরিদর্শন শেষে তামিম ইকবাল জানান, এত বড় একটি প্রকল্পকে শুধুমাত্র ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা ঠিক হবে না। তার মতে, ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্যান্য খেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা গেলে দেশের সামগ্রিক ক্রীড়া উন্নয়নে এটি বড় ভূমিকা রাখবে। এজন্য স্টেডিয়ামের মূল নকশায় কিছু পরিবর্তন আনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

তামিম আরও বলেন, প্রয়োজনে ডিজাইনারদের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা করা হবে এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হবে। কারণ, এমন একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় ধরনের সরকারি বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে।

অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, পূর্বাচলের এই স্টেডিয়ামটি শুধু ক্রিকেটের জন্য নয়, বরং বহুমুখী ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দেন, প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রহণ করা হবে।

যদিও প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছে বেশ আগেই, তবে এখনো কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখা যায়নি। তাই ২০৩১ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দ্রুত কাজ এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছে বিসিবি ও সরকার।

সব মিলিয়ে, পূর্বাচল স্টেডিয়াম শুধু একটি মাঠ নয়-এটি হতে পারে বাংলাদেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর নতুন মাইলফলক, যেখানে ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্যান্য খেলাও সমান গুরুত্ব পাবে।

More from khelalive update

View all →

Similar Reads

Browse topics →

More in Sports

Browse all in Sports →

Discussion (0 comments)

0 comments

No comments yet. Be the first!